বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ফ্রস্ট ব্লাস্ট টি-২০ সিজন-২ এর ফাইনাল ম্যাচ।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত এই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মার্কেন্টাইল ব্যাংক-এর কাছে ২৭ রানে পরাজিত হয়ে রানার্স-আপ হয়েছে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স।

২১৬ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স ভালো শুরু করলেও, ম্যাচের মাঝের ওভারগুলোতে ছন্দ হারিয়ে ফেলায় শেষ পর্যন্ত জয় থেকে পিছিয়ে পড়ে।

পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেটে ৫১ রান তুলেছিল স্ট্রাইকার্স। কিন্তু মিডল ওভারে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের শৃঙ্খলাবদ্ধ বোলিংয়ে রানের গতি কমে আসে। শেষ দিকে অধিনায়ক শেহজাদ আকবর সোবহান ৬ বলে ১৪ রানের ঝড়ো ইনিংসে ম্যাচে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলেও স্টাম্পিং হয়ে ফিরে গেলে স্ট্রাইকার্সের আশা নিভে যায়।

ওপেনার খালেদ মাসুদ খেলেন ২৩ বলে ৪০ রানের ঝড়ো ইনিংস। সর্বোচ্চ ৬৬ রান আসে মো. সুমন আহমেদের ব্যাট থেকে (৫১ বলে)। তাপস ঘোষও ২৩ বলে ৪০ রান করেন। তবে তাদের লড়াই সত্ত্বেও নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে স্ট্রাইকার্স থামে ৭ উইকেটে ১৮৯ রানে। ফলে ২৬ রানে জয় তুলে নেয় মার্কেন্টাইল ব্যাংক।

এর আগে টস হেরে বোলিংয়ে নেমে দারুণ শুরু করেছিল বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স। নতুন বলে শেহজাদ আকবর সোবহান ও বিসিবির ফ্যাসিলিটিজ কমিটির চেয়ারম্যান শাহনিয়ান তানিম চাপ ধরে রাখেন শুরু থেকেই।

পঞ্চম ওভারে প্রথম ব্রেকথ্রু এনে দেন শাহনিয়ান। একাদশ ওভারেও আরেকটি উইকেট নিয়ে তিনি শেষ করেন ৪ ওভার, ১৮ রানে ২ উইকেটের চমৎকার স্পেল। শেহজাদ সুযোগ তৈরি করলেও ফিল্ডারদের হাত ফসকে যায় কয়েকটি ক্যাচ। শেষ পর্যন্ত তার ৪ ওভারে খরচ হয় ৪৯ রান। তিন ওভারে ৪০ রানে ৩ উইকেট নেন জনি।

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ইনিংস গড়ে ওঠে ওপেনার নীপুর ঝড়ো ব্যাটিংয়ে। তিনি ৪৬ বলে ৮৫ রান করেন। উইকেটকিপার ব্যাটার নিলয় আহসান যোগ করেন ২৭ বলে ৪১ রান, তার ইনিংসে ছিল চারটি ছক্কা। শেষ দিকে সায়ুম মাহমুদ মাত্র ৬ বলে ২৩ রান করে দলকে নিয়ে যান বড় স্কোরে।

সব মিলিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে মার্কেন্টাইল ব্যাংক তোলে ৫ উইকেটে ২১৫ রান। জবাবে লড়াই করেও ২৬ রানে হেরে রানার্স-আপ হয়েই ফিরতে হয় বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্সকে।